১৭ ডিসেম্বর,২০২৩ সালে প্রকাশিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে কোটার অংশে হিজড়া/ ট্রান্সজেন্ডার কোটার কথা উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম নেয়। ২১ ডিসেম্বর ট্রান্সজেন্ডার কোটা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন পালন ও উপাচার্য বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করে শিক্ষার্থীরা। তারা বলেনন, হিজড়া আর ট্রান্সজেন্ডার এক নয়। ট্রান্সজেন্ডার কালচার এলজিবিটির অন্তর্ভুক্ত। ট্রান্সজেন্ডার কোটা দেয়ার অর্থ ‘এলজিবিটি সংস্কৃতি’র প্রচার-প্রসারের নামান্তর।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল শিক্ষার্থীদেরকে স্পষ্ট করেন, ”ট্রান্সজেন্ডার কোটায় শুধু হিজড়ারাই স্থান পাবে, চিকিৎসার মাধ্যমে রূপান্তরিত কেউ এই কোটার যোগ্য হবে না। ”
কিন্তু শিক্ষার্থীরা তখন ভর্তি বিজ্ঞপ্তি থেকে বিতর্কিত ট্রান্সজেন্ডার শব্দটি বাতিলের দাবি জানায়। গত ৩০ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ১জানুয়ারি পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেয় তারা।
পরবর্তীতে ঢাবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি স্পষ্ট করে বলা হয়,
‘২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির ক্ষেত্রে ট্রান্সজেন্ডার/হিজড়া কোটা প্রচলন করা হয়। কেবল জন্মগতভাবে লিঙ্গ বৈচিত্র্যের অধিকারী শিক্ষার্থীরা ট্রান্সজেন্ডার/হিজড়া কোটায় ভর্তির আবেদন করতে পারবেন।সে ক্ষেত্রে কোটা শনাক্তকরণে সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তর প্রদত্ত হিজড়া পরিচয়পত্র অবশ্যই দাখিল করতে হবে।’
তথ্য সূত্র – https://thedailycampus.com/news/printarticle/132733
