২০২৩ সালে স্কটল্যান্ডে নারীদের কারগারে ট্রান্সজেন্ডারদের একই সাথে না রাখার নির্দেশ দেন সেদেশের আদালত। আদালতের নির্দেশে বলা হয়,
,
“ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের কোন কারাগারে পাঠানো হবে তা আগে মূল্যায়ন করতে হবে। মূল্যায়নের আগে কোনোভাবেই তাদের নারীদের কারাগারে পাঠানো যাবে না। তাদের থাকতে হবে পুরুষদের কারাগারেই। মূল্যায়নের সময় দেখতে হবে ঐ ট্রান্সজেন্ডার কখনো কোনো নারীর সঙ্গে অবমাননাকর ঘটনা ঘটিয়েছিলেন কিনা। বিষয়টি সুনিশ্চিত করার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে হবে প্রশাসনকে।”
একটি ধর্ষণ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশ দেয়া হয়। একজন ট্রান্সজেন্ডার দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর আদালতকে জানিয়েছিলেন, লিঙ্গ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার মধ্যে আছেন তিনি—পুরুষ থেকে নারী হচ্ছেন। এ কারণে তাঁকে যেন নারীদের জেলে পাঠানো হয়।
কিন্তু নারীদের জেলে থাকাকালীন সময়ে তিনি ২০১৬ ও ২০১৯ সালে দুবার দুই নারীকে ধর্ষণ করেন। এই্ ঘটনা জানাজানি হলে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা হয় এবং এর প্রেক্ষিতেই সে দেশের আদালত উক্ত সিদ্ধান্ত নেন।
এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, মানুষ যতই বাহ্যিক লিঙ্গ পরিবর্তনের চেষ্টা করুক না কেন, যে লিঙ্গ নিয়ে সে জন্মগ্রহণ করেছিল সেই লিঙ্গের ফিতরাত সে কোনো হরমোন বা সার্জারির মাধ্যমে পরিবর্তন করতে পারে না।
